সর্বশেষ

আইন শৃংখলা অবনতির আশঙ্কা। রামগঞ্জে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় আহত - ২০

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বুধবার রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছে।আহতদের রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েয়ছে।
বুধবার বিকালে ভোট গণনার শেষে সুরের বাগ কেন্দ্রে তছলিম মোল্লার সমর্থকেরা বিজয় প্রার্থীর সমর্থক রাসেল,রাসেদ,সবুজকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।
 লামচর কেন্দ্রে বিজয় প্রার্থীর সমর্থক বরকত উল্যার উপর পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকের হামলার পর বিজয় প্রার্থীর সমর্থকদের পাল্টা হামলার এক পর্যায়ে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষে পরাজিত প্রার্থী নুর আলম,সমর্থক শহিদুল ইসলাম,বেচু মিয়া,নাছির আহম্মেদ,হোসেন,আহম্মেদ,সালেহা,বেগম,বিজয় প্রার্থীর সমর্থক বারেক,মোল্লা,রিপন,এমরান,মফিজ পাটোয়ারী,চৌধুরী,ছাদল হক,জাহাঙ্গীর আলম,লামনগর কেন্দ্রের বিজয়ি প্রার্থীর সমর্থকেরা বৃহস্পতিবার সকালে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক ফিরোজ আলমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।
সন্দড়া কেন্দ্রের চেয়ারম্যানস প্রার্থী হাজী ওলি উল্যা  নির্বাচনী এজেন্ট মোঃ শাহ আলম বুথ ও কেন্দ্রের ভোটারদের প্রভাবিত করার অপরাধে  নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ২ হাজার টাকা জরিমানা করে।রাঘবপুর কেন্দ্রে ২ মেম্বার প্রার্থী মোঃ সেলিম ও মোঃ বাচ্চু মিয়ার সমর্থনদের মধ্যে এক সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়। শ্রীরামপুর কেন্দে চেয়ারম্যান প্রার্থী  আমির হোসেনের মা আনোয়ারা  বেগম ও ভাই আনোয়ার হোসেন পুলিশী হামলায় আহত হয়। কাঞ্চনপুরে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় যুবলীগের কর্মী জালাল আহমেদ আহত হয়।


  • রবিউল ইসলাম খান

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.