সর্বশেষ

নোয়াখালীতে প্রাক বাজেট আলোচনা।। চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত কৃষি মার্কেট ও হিমাগার প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্বারোপ


আবু নাছের মঞ্জু, নোয়াখালী:
জলাবদ্ধতা, সেচ সংকট আর লবণাক্ততা সমস্যার সমাধানের মধ্যদিয়ে বোরো ও আমন মওসুমে নোয়াখালীর ১ লাখ ৩২ হাজার ২৬৬ হেক্টর জমি চাষাবাদের আওতায় আনা সম্ভব। অন্যদিকে উৎপাদিত কৃষি পন্যের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করতে উপকূরীয় চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত সংখ্যক কৃষি মার্কেট ও হিমাগার প্রতিষ্ঠার করা এবং কৃষি ঋন প্রাপ্তিতে কৃষকদের ভোগান্তি দুর করার মধ্যদিয়ে খাদ্য উদ্বৃত্ত নোয়াখালী জেলা দেশের কৃষিতে নতুন দিগন্ত সূচনা করতে পারে। আর এই অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আশু রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহনের বিকল্প নেই।
প্রাক বাজেট ২০০১-২০১২: প্রান্তিক কৃষকের ভাবনা শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। গত মঙ্গলবার নোয়াখালীর বিআরডিবি মিলনায়তনে পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান, কর্মজীবী নারী এবং স্থায়ীত্বশীল জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রচারাভিযান-সিএসআরল আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর-সুবর্ণচর আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক রুদ্র্র মাসুদ। গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্টের পরিচালক রাহা নব কুমারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন কৃষি বিপনন বিভাগের বাজার কর্মকর্তা হাবিল উদ্দিন, কৃষি কর্মকর্তা আবুল খায়ের, কৃষিবিদ নাসিমুল হক, ব্যবসায়ী জহির উদ্দিন,কৃষক আব্দুর রব, মোহন মিয়া, সাংবাদিক বিজন সেন, আবু নাছের মঞ্জু, জামাল হোসেন বিষাদ, উন্নয়ন সংগঠক আমিনুজ্জামান ও মনুগুপ্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, নোয়াখালীর কৃষকরা বর্তমানে পুরো জেলার খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে অতিরিক্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৯৯৪ মেট্রিক টন খাদ্যের যোগান দিচ্ছেন। সরকার এ অঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিপুল পরিমান অনাবাদী জমি কিভাবে চাষের আওতায় আনা যায় সেলক্ষ্যে কাজ করছে।

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.