সর্বশেষ

নোয়াখালীতে মধ্যরাতের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে জিম্মিদশা থেকে স্কুলছাত্রী উদ্ধার।। অপহরণকারী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে অপহরণের ১২ ঘন্টা পর নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও দমকল বাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের মধ্যদিয়ে মধ্যরাতে উদ্ধার হয়। এ সময় পুলিশ অপহরণকারী জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।
রোববার জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার জসিমকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট অপহৃহ দুই ছাত্রীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করেন।  জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী প্রেমিকের বাড়ি থেকে স্কুল ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে এবং প্রেমিক জসিম উদ্দিন (৩৫)কে গ্রেপ্তার করে। এসময় ঐ বাড়িতে কয়েক শত উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।
সুধারাম থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পশ্চিম মাইজদী এলাকার মৃত শহীদ উল্যাহর ছেলে দুই সন্তানের জনক জসিম উদ্দিন মহসিন কিছুদিন থেকে নোয়াখালী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর (মহসেনা আক্তার মুক্তা) সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে আসছিল। কিন্তু এতাদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে দেখাদেখনি হয়নি। রবিবার সকালে মহসিন ঐ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে স্কুল ছাত্রিটির সাথে দেখা করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এসময় ছাত্রিটি বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এক পর্যায়ে মহসিন এ এ সময় স্কুল ঐ ছাত্রি ও একই ক্লাসের তার এক বান্ধবী (বিবি মরিয়ম রূপালী) কে জোরপূর্বক সিএনজি চালিত অটোরিক্সসায় তুলে বিয়ে করার জন্য কাজি অফিসে যায়। কাজি বিয়ে পড়াতে অপারগতা প্রকাশ করায় মহসিন দুপুর ১২ টার দিকে পশ্চিম মাইজদীর হাজি বাড়িতে একটি রুমে দুই ছাত্রীকে জিম্মি করে রাখে। বিষয়টি জানাজানির পর লোকজন ছুটে আসলে স্কুল মহসিন তাদের সামনে ছাত্রীটিকে তাকে বিয়ে করতে রাজি না হলে হত্যার হুমকি দেয়। পরিবার ও বাড়ির লোকজন মহসিনকে অনেক বুঝিয়ে বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রিটির বান্ধবীকে জিম্মিদসা থেকে উদ্ধার করে। এরপর সন্ধ্যা থেকে সুধারাম খানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে রাতে পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী, ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসানসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেন। রাত ৯টার দিকে তাদের সাথে দমকল বাহিনীর কর্মীরাও যোগ দেন। তারা ছাত্রীটিকে ছেড়ে দেয়ার জন্য মহসিনকে বার বার অনুরোধ করে ব্যর্থ হন। কৌশল হিসেবে অভিযান বন্ধোর ঘোষনা দিয়ে অবস্থান পরিবর্তন করে। মধ্য রাতের দিকে মহসিন সে রুমের দরজা খুলে পালানোর সময় পুিলশ তাকে ছাত্রীটকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় মহসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
 নোয়াখালীতে মধ্যরাতের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে জিম্মিদশা থেকে স্কুলছাত্রী উদ্ধার।। অপহরণকারী গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীতে অপহরণের ১২ ঘন্টা পর নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও দমকল বাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের মধ্যদিয়ে মধ্যরাতে উদ্ধার হয়। এ সময় পুলিশ অপহরণকারী জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।
রোববার জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার জসিমকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট অপহৃহ দুই ছাত্রীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করেন।

জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী প্রেমিকের বাড়ি থেকে স্কুল ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে এবং প্রেমিক জসিম উদ্দিন (৩৫)কে গ্রেপ্তার করে। এসময় ঐ বাড়িতে কয়েক শত উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়

সুধারাম থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পশ্চিম মাইজদী এলাকার মৃত শহীদ উল্যাহর ছেলে দুই সন্তানের জনক জসিম উদ্দিন মহসিন কিছুদিন থেকে নোয়াখালী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর (মহসেনা আক্তার মুক্তা) সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে আসছিল। কিন্তু এতাদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে দেখাদেখনি হয়নি। রবিবার সকালে মহসিন ঐ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে স্কুল ছাত্রিটির সাথে দেখা করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এসময় ছাত্রিটি বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এক পর্যায়ে মহসিন এ এ সময় স্কুল ঐ ছাত্রি ও একই ক্লাসের তার এক বান্ধবী (বিবি মরিয়ম রূপালী) কে জোরপূর্বক সিএনজি চালিত অটোরিক্সসায় তুলে বিয়ে করার জন্য কাজি অফিসে যায়। কাজি বিয়ে পড়াতে অপারগতা প্রকাশ করায় মহসিন দুপুর ১২ টার দিকে পশ্চিম মাইজদীর হাজি বাড়িতে একটি রুমে দুই ছাত্রীকে জিম্মি করে রাখে। বিষয়টি জানাজানির পর লোকজন ছুটে আসলে স্কুল মহসিন তাদের সামনে ছাত্রীটিকে তাকে বিয়ে করতে রাজি না হলে হত্যার হুমকি দেয়। পরিবার ও বাড়ির লোকজন মহসিনকে অনেক বুঝিয়ে বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রিটির বান্ধবীকে জিম্মিদসা থেকে উদ্ধার করে। এরপর সন্ধ্যা থেকে সুধারাম খানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে রাতে পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী, ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসানসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেন। রাত ৯টার দিকে তাদের সাথে দমকল বাহিনীর কর্মীরাও যোগ দেন। তারা ছাত্রীটিকে ছেড়ে দেয়ার জন্য মহসিনকে বার বার অনুরোধ করে ব্যর্থ হন। কৌশল হিসেবে অভিযান বন্ধোর ঘোষনা দিয়ে অবস্থান পরিবর্তন করে। মধ্য রাতের দিকে মহসিন সে রুমের দরজা খুলে পালানোর সময় পুিলশ তাকে ছাত্রীটকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় মহসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.