সর্বশেষ

মেঘনায় জেলেদের জালে ইলিশ আসছে কম তাই দাম চড়া

আবু নাছের মঞ্জু, নোয়াখালী: 

মওসুমের অনেকটা সময় পার হয়ে গেলেও মেঘনায় জেলেদের জালে আগের মতো খুব একটা ধরা পড়ছে ইলিশ। আর ধরা পড়া ইলিশ সংখ্যায় কম হওয়া এখনও অনেক জেলে নদীতে নামেননি। তাই ঘাটেই এখন ইলিশ বিক্রি হচ্ছে চড়াদামে। যা সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে রয়ে যাচ্ছে।

নোয়াখালীর বয়ারচরের চেয়ারম্যান ঘাটে গিয়ে দেখা যায়-বিভিন্ন আড়তে মাছ রাখার বাক্সগুলো ফাঁকা পড়ে আছে ইলিশের অপেক্ষায়। এমন সময় ট্রলার নিয়ে তীরে ফেরেন বয়ারচরের কাজিরটেক এলাকার জেলে আক্তার হোসেন ওরফে আক্তার মাঝি। ট্রলার থেকে তাঁর সহযোগী জেলেরা সারাদিনের পরিশ্রমের ফসল ১৫টি ইলিশ টুকরিতে তোলেন।
পরিমানে কম হলেও টুকরিতে ইলিশ তোলার সেই দৃষ্যটি ছিল অপুর্ব। রূপালী ইলিশের রূপের আলোতে যেন ম্লান হয়ে গেছে জেলেদের সারাদিনের কষ্ট আর অক্লান্ত পরিশ্রম। একে একে ট্রলার মাঝিসহ সাত জেলে ইলিশ নিয়ে ওঠে আসল ঘাটে। প্রতিটি ইলিশের ওজন হবে ৭শ থেকে ১ হাজার গ্রাম; কিংবা কোন কোনটি তারও বেশী। ইলিশগুলো রাখা হয় আড়তের নির্দিষ্ট বাক্সে। আড়তে প্রথম প্রতিপনের (৮০টি) দাম ওঠে ১৭ হাজার টাকা। এর পর প্রতিধাপে ৫শ করে হাঁকার পর শেষ পর্যন্ত দাম ঠেঁকে সাড়ে আঠার হাজার টাকায়। ভাল দাম পাওয়ার আনন্দ ফুটেওঠে জেলেদের চোখে-মুখে।
তবে; খরচও কম নয় জানালেন আক্তার মাঝি। তিনি জানান, ‘সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নদীতে কাটানোর পর ওই ১৫টি ইলিশ বেচে পাওয়া গেছে প্রায় সাড়ে তিনহাজার টাকা। এর মধ্যে বাদ যাবে ছবিল (জেলেদের খাওয়া, ট্রলারের জ্বালানী তেল ও অন্যান্য খাতে ব্যায়) খরচ। এছাড়া ট্রলার ভাড়া ও ঘাটের খরচ দিয়ে যা থাকবে তা ভাগ হবে তিনিসহ সাত জেলের মাঝে।’
আড়ৎদার মোঃ হেলাল জানান, ‘মওসুমের অকেটা সময় পার হয়ে গেলেও ইলিশ ধরা পড়ছে কম। তাই ঘাটে জেলেদের সংখ্যাও কম। যখন মাছ ধরা পড়বে বেশী। তখন দাম আরো কমার সম্ভাবনা আছে।’
জেলা শহর থেকে ঘাটে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা মাহমুদুল হাসান জানান, যে দাম, তাতে; ঘাটে ইলিশ কেনার সাধ্য সাধ্য সাধারণ ক্রেতাদের নেই। তা ছাড়া- চড়া দামের কারণে ঘাটে ইলিশ কেনার জন্য পাওয়াও যায়না।

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.