সর্বশেষ

নোয়াখালীতে হরতালে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, ভাঙচুর, আটক ১২

ভাঙচুর, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, সড়ক অররোধের মধ্যদিয়ে নোয়াখালীতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়েছে। এসময় পুলিশ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৬জন নেতাকর্মীসহ ১২জনকে আটক করে।
আটককৃতরা হচ্ছে শহর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবু হানিফ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবদুল করিম মুক্তা, জেলা ছাত্রদলের সদস্য নুরুল আমিন খান, যুবদলের আরমান, এহছানুল হক মোহন ও আবুল কাশেম, হোটেল শ্রমিক রুবেল, কলেজ ছাত্র আকবর হোসেন, স্কুল ছাত্র দোলোয়ার হোসেন, রাজমিস্ত্রী মামুনুর রশীদ, রাজু ও আবু তাহের।

হরতাল চলাকালে রাস্তায় রিকশা ছাড়া ভারি কোন যানবাহন চলাচল করেনি। দোকানপাট বন্ধ ছিল। অফিস, আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কম ছিল।
পিকেটারেরা মাইজদী বাজারে একটি বিএরটিসির বাস ও জামে মসজিদ মোড়ে পুলিশ বহনকারী একটি ম্যাক্সি ভাঙচুর করে। দত্তেরহাটে পিকেটারেরা যুবলীগ কর্মী জসিমকে মারধর করে। সেখানে ছাত্র ও যুবলীগ কর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। মাইজদী বাজার এলাকায় বিএনপি কর্মী আকবরের দোকানে যুবলীগ কর্মীরা হামলা চালায়।
হরতালের পক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের নেতৃত্বে এবং বিপক্ষে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান অভিযোগ করেন, পুলিশ ও শাসক দলের ক্যাডারা হরতাল চলাকালে পিকেটারদের উপর হামলা চালায় এবং মাইজদী বাজারে দলীয় কর্মী আকবর হোসেনের দোকানে হামলা ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে। পুলিশ বিনা কারনে দলের ১২জন নেতাকর্মীকে আটক করে।

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.