সর্বশেষ

নোয়াখালীতে প্রতারনা মামলায় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ কর্মকর্তা জেল হাজতে

প্রতারনা মামলায় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় নোয়াখালী ক্যাম্পাসের ৭ কর্মকর্তাকে সোমবার নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শাহ মো: জাকির হাসানের আদালত জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আবদুর রহমান জানান, নোয়াখালী ক্যাম্পাসের আইন বিভাগের ছাত্র কায়সার হামিদ রকির দায়ের করা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউর রহমান জিয়া, প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হক ফরহাদ, কমিউনিকেশন অফিসার নিজাম উদ্দিন সুমন, কো-অর্ডিনেটর সাইফুদ্দিন, শেয়ার হোল্ডার একরামুল হক ফিরোজ ও সেকশন অফিসার গোলাম রেজা পলাশ আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
অনুমোদন ছাড়া নোয়াখালী ক্যাম্পাস খুলে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের দায়ে গত ৪ এপ্রিল কায়সার হামিদ রকি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শাহ মো: জাকির হাসানের আদালতে ৭ কর্মকর্তাকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর হিসেবে গন্য করার জন্য সুধারাম থানাকে নির্দেশ দেন। এরই মধ্যে আসামী হাইকোটে জামিন আবেদন করলে হাইকোট আসামীদের সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে আত্মসর্মপনের নির্দেশ দেন।

এদিকে ২৩ মে আইন বিভাগের ছাত্র মো: নূরুল্লাহর দায়ের করা পৃথক একটি প্রতারণা মামলায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হুমায়ন কবিরের আদালত নোয়াখালী ক্যাম্পাসের ১১ কর্মকর্তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.