সর্বশেষ

নোয়াখালীতে পুলিশের চা নিয়ে তুলকালাম।। ৩ হোটেল কর্মচারী হাসপাতালে।। শহরে বিক্ষোভ বিক্ষোভ মিছিল

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজীর আমানিয়া হোটেল এণ্ড রেস্টুরেন্টের ৩ কর্মচারীকে শুক্রবার রাতে সুধারাম থানা পুলিশ বেদম মারধর করে আহত অবস্থায় থানায় আটক করে রাখে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই শহরের হোটেল কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল করে সুধারাম থানার সামনে অবস্থান নেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে আটককৃত হোটেল কর্মচারীদের ছেড়ে দেয়। পরে আহত ক্যাশিয়ার রিপন, কিরন এবং কাবাব কারিগর জাকিরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হোটেল মালিক ও কর্মচারীরা জানায়, শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে সুধারাম থানার ২ কনস্টেবল পুলিশ সুপারের নাম ভাংগিয়ে চা আনতে ফ্লাক্স নিয়ে আমানিয়া  হোটেল এণ্ড রেস্টুরেন্টে যায়। এসময় ফ্লাক্স ধোয়াকে কেন্দ্র করে হোটেলের কর্মচারীদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবলরা চা না নিয়ে কর্মচারীদের শাসিয়ে থানায় ফিরে যায়। কিছুক্ষণ পর দুই এসআসহ ৫-৬ জন পুলিশ সদস্য হোটেলে গিয়ে ক্যাশ কাউন্টার থেকে ক্যাশিয়ার রিপন ও কিরনকে টেনে হেঁছড়ে বের করে বেদম মারদর করে। এসময় কাবাব কারিগর এগিয়ে জাকির এগিয়ে এলে তাকেও বেদম মারদর করে পলিশ ৩ জনকেই মারতে মারতে থানায় নিয়ে আটক করে রাখে। এ সময় হোটেলের শতাধিক গ্রাহক আতংকিত হয়ে খাওয়ার টাকা না দিয়েই বের হয়ে যায় বলে আমানিয়া হোটেলের মালিক শাহিন দাবি করেন। এক পর্যায়ে হোটেল কর্মচারীরা দোকান বন্ধ করে মিছিল নিয়ে সুধারাম থানার সামনে অবস্থান নেয়। পরে বণিক সমিতির নেতাদের মধ্যস্থতায় পুলিশ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে আটকৃতদের ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এব্যাপারে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারীর জানান, তার নাম ভাঙ্গিয়ে হোটেলে চা আনতে যাওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত নন। হোটেল কর্মচারীদের সাথে বিষয়টি রাতেই মিমাংশা হয়ে গেলেও ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। এ ঘটনায় জেলা শহরে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

আবু নাছের মঞ্জু

লোকসংবাদ | Loksangbad | The First Bangla Online Newspaper from Noakhali সাজসজ্জা করেছেন মুকুল | কপিরাইট © ২০১৫ | লোকসংবাদ | ব্লগার

Bim থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.