।। লোকসংবাদ রিপোর্ট।।
বাধারমুখে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সরবরাহের দরপত্রের সিডিউল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। বহিরাগত একদল যুবক এসময় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে সিডিউল টেন্ডার বাক্সে জমা দিয়ে তাঁদের কাছে জমা দিতে বাধ্য করে।
এমনই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কুমিল্লার আইটি প্যালেস-এর স্বত্তাধীকারী নজরুল ইসলাম জানান, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনি নির্ধারিত মুল্যে সিডিউল কেনার পর গতকাল ব্যাংক ড্রাফ্টসহ তাঁর প্রতিনিধি আবু হানিফকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। দুপুর সাড়ে বারটার দিকে তাঁর প্রতিনিধি সিডিউল জমা দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে যান। এসময় গেটের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা ৫-৬ জনের একদল যুবক তাঁকে এক পাশে ডেকে নিয়ে তাঁর কাছ থেকে ব্যাংক ড্রাফ্টসহ সিডিউলটি নিয়ে নেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, এর পর সেখান থেকে এক ব্যাক্তি তাঁকে ফোন করে তাঁদের লোকজন ছাড়া বাহিরের কাউকে সিডিউল জমা দিতে দেওয়া হবেনা বলে জানিয়ে দেয়। এ অবস্থায় তিনি তাঁদের সিডিউলের সঙ্গে থাকা ব্যাংক ড্রাফ্টটি ফেরৎ দেওয়ার অনুরোধ করলে তাঁরা তাতে সম্মত হন এবং ব্যাংক ড্রাফ্ট ফেরৎ দেয়। তিনি জানান, এর পর তিনি তাৎক্ষনিক বিষয়টি দরপত্র কমিটির সদস্য কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অবহিত করেন।
জানা গেছে, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৮টি কম্পিউটার, ১৮টি ইউপিএস ও ৬টি প্রিন্টার সরবরাহের জন্য জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরপত্র আহবান করেন। বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক গতকাল সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল দরপত্র জমাদানের শেষ সময়। নির্ধারিত সময়ে ১১টি সিডিউল বিক্রি হলেও গতকাল শেষ দিনে কতটি জমা হয়েছে তা জানাতে পারেননি কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে জানতে চাইলে দুপুর দেড়টায় উপাচার্য্য ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী জানান, তিনি এই সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এই ধরণের কোন কিছু ঘটলে এবং কেউ কোন অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতেন। প্রয়োজনে টেন্ডার বাতিল করতেন। কারণ এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম জড়িত রয়েছে।
Monday, November 23, 2009
Browse » Home »
চলতি সংবাদ
» নোয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সরবরাহে দরপত্রের সিডিউল জমাদানে বাধাদানের অভিযোগ